“ইসলামী সমাজ”এর আমীরের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

আমীর, ইসলামী সমাজ
সৈয়দ হুমায়ূন কবীর- আমীর, ইসলামী সমাজ।

সৈয়দ হুমায়ূন কবীর, পিতা: মৃত সৈয়দ আব্দুর রব, গ্রাম: কুশিয়ারা, পো: গ্রাম রায়পুর, থানা: দাউদকান্দি, জেলা: কুমিল্লা। পিতার জন্মস্থান: চান্দলা সৈয়দবাড়ী, পো: চান্দলা, থানা: ব্রাহ্মণপাড়া, জেলা: কুমিল্লা। সৈয়দ হুমায়ূন কবীরের পিতা সৈয়দ আবদুর রব ছিলেন একজন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন।

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর ৬০ উর্ধ বছর বয়সেও একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশিত ও তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সকল মানুষের কল্যাণে সমাজ ও রাষ্ট্র্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার  একমূখী উদ্যম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি ১৯৮৩ ইং সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে এম, এস, সিতে লেখা-পড়া করা কালীন সময়েই মুফ্তী আবদুল জাব্বার (রহঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁর নেতৃত্বের আনুগত্যে থেকে ইসলামের মৌলিক বিষয়সমূহ ও ঈমান-চরিত্রের উন্নতি সাধন বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক সুস্পষ্ট দিক-নির্দেশনা পেয়ে বিশ্ব-বিদ্যালয়ের লেখা-পড়া ত্যাগ করে আল কুরআন ও সুন্নাহর ধারাবাহিক সঠিক জ্ঞানার্জনে মনোযোগী হন এবং মুফ্তি আবদুল জাব্বারের নেতৃত্বে রাসূল (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার সহী আন্দোলনে শামিল হন। প্রখ্যাত বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী নেতা মুফ্তী আবদুল জাব্বার (রহঃ) হলেন তাঁর রাজনৈতিক, আধ্যাতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাগুরু।

তিনি (সৈয়দ হুমায়ূন কবীর) আলিয়া ও কওমী মাদ্রাসার সাথে সম্পৃক্ত উচ্চ শিক্ষিত বহু উস্তাদের নিকট থেকে প্রয়োজনীয় শিক্ষা অর্জন করেছেন এবং মাদ্রাসায়ও লেখা-পড়া করেছেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি দ্বীনি শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। ১৯৮৩ ইং সাল থেকে ২০০৬ সালের ২৩ জানুয়ারী পর্যন্ত আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী নেতা ও ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলনের আমীর হজরত মুফ্তী আবদুল জাব্বারের নেতৃত্বের আনুগত্যে থেকেই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মুফ্তী আবদুল জাব্বারের দুনিয়া থেকে চিরবিদায় গ্রহণের প্রেক্ষিতে সৈয়দ হুমায়ূন কবীর ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলনের আমীরের দায়িত্ব গ্রহণ করে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন।

কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন কুশিয়ারা বায়তুল আমান কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব এবং কুশিয়ারা ঈদগাহর ইমাম হিসেবে দীর্ঘ দিন যাবৎ তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উদার মনের লোক, ইসলামের আদর্শ ও ন্যায়-নীতির ভিত্তিতে মানুষের কল্যাণ সাধনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে আল্লাহর উপর পূর্ণ নির্ভরশীল হয়ে ছবর ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তুষ্টি অর্জনই তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র মালিক, সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তাঁকে এবং আমাদের সকলকে আল্লাহর সর্বশেষ নাবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর শর্তহীন অনুসরণ ও অনুকরণের মাধ্যমে কল্যাণ ও মুক্তির একমাত্র পথ “ইসলাম” এর আইন-বিধানের ভিত্তিতে জীবন গড়ার তৌফিক দিন। আমীন!

মানবতার কল্যাণে বার্তাটি শেয়ার করুন-