গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী সমাজের বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা।

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ স্বাধীনের পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতায় ছিলেন এবং বর্তমানে যারা আছেন তারা সকলেই ইসলামের পরিবর্তে মানব রচিত ব্যবস্থা দ্বারা দেশ পরিচালনা করেছেন এবং করছেন, যার কারণে দেশবাসী চরম দূর্ভোগ ও অশান্তিতে কাল কাটাচ্ছে এবং তেল, গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ আজ দিশেহারা। জাতির মানুষের জান, মাল ও ইজ্জতের কোন নিরাপত্তা নেই। সুশাসন ও ন্যায় বিচার থেকে মানুষ আজ  বঞ্চিত। তিনি আরো বলেন, আল্লাহর সাথে শির্ক ও কুফর করার ব্যবস্থা গণতন্ত্রের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জন জীবনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্ভাবনা প্রতিয়মান হচ্ছে। সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত না হলে মানব জীবনের কোন সমস্যারই সমাধান হবে না, হচ্ছেও না।

আজ ৩১ আগস্ট, ২০২২ইং (বুধবার), সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় দেশে চলমান “সকল সংকট নিরসন এবং সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে গণতন্ত্রসহ মানব রচিত সকল ব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণার লক্ষ্যে” ইসলামী সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত “শান্তিপূর্ণ বিশেষ মানববন্ধনে”দেশবাসী সকলের উদ্দেশ্যে সংগঠনের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, দেশ ও জাতির এহেন নাজুক পরিস্থিতিতে সকল সংকট থেকে রক্ষা পেয়ে মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাদের মৌলিক অধিকারসহ সকল অধিকার আদায় ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করে দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ, শান্তি এবং আখিরাতে জাহান্নামের ভয়াবহ আজাব থেকে মুক্তি পেয়ে জান্নাত লাভ করতে হলে- সকল ধর্মের লোকদের জন্য যার যার ধর্ম পালনের সুযোগ রেখে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত  মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, ইসলামী সমাজ সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতেই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঈমানদার ও সৎকর্মশীল লোক গঠনের আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলকে তিনি ইসলামী সমাজ পরিচালিত ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় শামিল হওয়ার আহ্বান জানান। ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন-তন্মধ্যে অন্যতম বিশেষ কর্মসূচি হচ্ছে- রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং থেকে ১০ অক্টোবর ২০২২ ইং পর্যন্ত ৩৩ দিন ব্যাপী গনসংযোগ, লিফলেট বিলি ও পথসভা।

ইসলামী সমাজ ঢাকা বিভাগীয় অঞ্চল-২ এর দায়িত্বশীল, জনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা- জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা ও সোলায়মান কবীর।

ইসলামী সমাজ গৃহীত ৩ দফা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি সমূহ হচ্ছে-

  • ১) ঈমান ও চরিত্রের উন্নতি সাধনে কুরআন ও সুন্নাহর তালিম প্রদানের লক্ষ্যে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানাধীন ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১ ও ২ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং দুই দিন ব্যাপী বিশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ইনশাল্লাহ।
  • ২) ইসলামী সমাজের পরিকল্পিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী ৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ ইং থেকে ১০ অক্টোবর ২০২২ ইং পর্যন্ত সরাসরি ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেবের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজের বাছাইকৃত ৭৫ জন সদস্য বিশিষ্ট বিশেষ টিম নিয়ে ৩৩ দিন ব্যাপী ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ এবং সংক্ষিপ্ত পথসভা করা হবে ইনশাআল্লাহ।
  • ৩) ৯, ১৬, ২৩ ও ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ৭ অক্টোবর ২০২২ইং ইসলামী সমাজ ঢাকা মহানগরের অফিস সমূহে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।

ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেবের নেতৃত্বে

শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বিশেষ টিমের তালিকা

মুহাম্মাদ ইয়াছিন (চাঁদপুর), মোঃ আজমুল হক (কুমিল্লা), রফিকুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ), হাবিবুর রহমান (চাঁদপুর), কবির হোসেন (নাটোর), নাজমুল হাসান (ব্রাহ্মণবাড়িয়), আবুল কালাম আজাদ (কিশোরগঞ্জ), ইয়াছিন (কিশোরগঞ্জ), মাসুম (নরসিংদী), সাইফুল ইসলাম (শেরপুর), আনোয়ার হোসেন (কুমিল্লা), আজিজুর রহমান (কিশোরগঞ্জ), সেলিম মোল্লা (শরীয়তপুর), সৈয়দ মুহাম্মাদ কবীর (কুমিল্লা), সোহেল আহম্মেদ (ঢাকা), কারী মফিজ (কুমিল্লা), রফিকুল ইসলাম (রাজবাড়ী), আব্দুল করীম (কুমিল্লা), হাফেজ উসমান (কুমিল্লা), জহুরুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ), তানজিম আহমেদ সাকিব (ঢাকা), আবুল কাশেম (কুমিল্লা), খুরশেদ আলম (কুমিল্লা), মোজাম্মেল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ (চুয়াডাঙ্গা), মোঃ সাইফুল ইসলাম (বগুড়া), মোঃ আবু শামাহ (চুয়াডাঙ্গা), মোঃ হুমায়ূন কবীর (নীলফামারি), মোঃ জাহাঙ্গির মুন্সী (কিশোরগঞ্জ), আঃ মান্নান (বগুড়া), জাহাঙ্গীর আলম (শেরপুর), মোঃ নাছির (টঙ্গী), মোঃ আকাশ (টঙ্গী), ইজাজুল ইসলাম (কুষ্টিয়া), নুরুদ্দিন আহমেদ (ময়মনসিংহ), হাফিজুর রহমান (পাবনা), মুস্তফা জামিল সাদ (মিরপুর), রানা ইসলাম (মাগুড়া), জাহাঙ্গীর আলম (কিশোরগঞ্জ), আলী আকবর (চেনু মিয়া) (টাঙ্গাইল), শমসের আলী বাবু (মৌলভী বাজার), মোঃ সাগর (কিশোরগঞ্জ), ইসমাইল দাড়িয়া (গোপালগঞ্জ), হাফেজ উবাইদুল্লাহ (কুমিল্লা), মোঃ জাহাঙ্গির আলম (টঙ্গী), মাহবুবুল হক (বগুড়া), মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী (টঙ্গী), সোলায়মান কবীর (শেরপুর), গুলজার আহম্মেদ (নেত্রকোনা), আঃ রশিদ (শেরপুর), হাসিবুল ইসলাম (পটুয়াখালী), সোহেল মিয়া (শেরপুর), আলী আজম  আরজু (টঙ্গী), আবু বকর সিদ্দিক (পটুয়াখালী), আসাদুজ্জামান বুলবুল (কুষ্টিয়া), মোঃ শাহ আলম (পটুয়াখালী), আবুল কালাম আজাদ (শেরপুর), রমজান আলী (খাগড়াছাড়ি), মোঃ উজ্জল (কুষ্টিয়া), কামরুজ্জামান (কুষ্টিয়া), মোহাম্মাদ মামুন (কুষ্টিয়া), আব্দুল মুমিন (কুষ্টিয়া), মুহাম্মাদ আনাস (কুষ্টিয়া), মোঃ লিটন (কুষ্টিয়া), বদিউজ্জামান জুয়েল (টাঙ্গাইল), আঃ আলিম (কুমিল্লা), মাষ্টার আঃ বাতেন (লক্ষ্মীপুর), পারভেজ (কুমিল্লা), আবু জাফর মুহাম্মদ সালেহ (চাঁদপুর), সৈয়দ আহম্মাদ শফিক (কুমিল্লা), আঃ হক মোল্লা (কুমিল্লা), আলমগীর কবীর বাবু (চুয়াডাঙ্গা), সৈয়দ হাসান মাহমুদ (কুমিল্লা), মামুন হোসেন (বগুড়া) এবং রহুল আমীন (চট্টগ্রাম)।

মানবতার কল্যাণে বার্তাটি শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published.