গণতন্ত্রের নির্বাচন বা সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ নয়! হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি’ই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায়। আমীর, ইসলামী সমাজ।

ইসলামী সমাজের আমীর- হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, বর্তমান বিশ্বের কোন একটি রাষ্ট্রেও আল্লাহ্ প্রদত্ত কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ একমাত্র জীবন ব্যবস্থা ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠিত নেই। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে দীর্ঘকাল পর্যন্ত মানব রচিত ব্যবস্থা- গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র ইত্যাদি প্রতিষ্ঠিত থাকায় এবং মানুষ মানুষেরই মনগড়া আইন-বিধানের আনুগত্য করে চলার কারণে দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রতা, জঙ্গীতৎপরতা, মাদক, গুম, খুন, নারী ও শিশু ধর্ষণ ইত্যাদি মানবতা বিরোধী অপরাধ বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে। যার কারণে- করোনা ভাইরাসের আক্রমণসহ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের বিভিন্ন রকম আযাব-গজব মানুষের জীবনে চরম বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে।

আজ-২১ ফেব্রুয়ারী ২০২১ ইং রোজ রবিবার বিকাল ৩ টায় “সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায়- রাসূল মুহম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি” বিষয়ে রাজধানী ঢাকা’র বাংলাদেশ ফটো জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন হলরুমে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায়- সংগঠনের আমীর সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, গণতন্ত্রের নির্বাচন বা সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ নয়! হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি’ই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায়। আর তা হচ্ছে ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে ঈমানদার সৎকর্মশীল লোক গঠন। একদল ঈমানদার সৎকর্মশীল লোক গঠন হলেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন ইসলাম প্রতিষ্ঠায় তাদেরকে জমিনে খিলাফাত- রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা দান করবেন। সূরা নূর এর ৫৫ আয়াতে ঈমানদার সৎকর্মশীলদেরকে খিলাফাত- রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা দানের ব্যাপারে আল্লাহ্ তাঁর এ ওয়াদা’র কথাই জানিয়ে দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ্ ফরমান- “আল্লাহ্ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঈমান আনবে ও সৎ কাজ করবে, তাদেরকে তিনি পৃথিবীতে ঠিক তেমনিভাবে রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা (খিলাফাত) দান করবেন যেমন তাদের পূর্বে অতিক্রান্ত লোকদেরকে দান করেছিলেন”। আল্লাহ্র রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর নেতৃত্বে একদল ঈমানদার সৎকর্মশীল লোক গঠন হয়েছিল বিধায়; আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন মদীনায় খিলাফাত- রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা দান করেছিলেন। এখনও আমীরের নেতৃত্বে একদল ঈমানদার সৎকর্মশীল লোক গঠন হলেই আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন জমিনে খিলাফাত তথা রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা দান করবেন। এটাই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের পদ্ধতি। “ইসলামী সমাজ” এই পদ্ধতিতেই সমাজ ও রাষ্ট্রে ‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। দেশবাসী সকলকে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠার শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্ঠায় সমর্থন, সহযোগিতা ও শামিল হওয়ার উদাত্ত আহবান জানান।

ইসলামী সমাজের কেন্দ্রীয় নেতা জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিন, সোলায়মান কবীর, আজমুল হক, মুহাম্মাদ আলী জিন্নাহ, আসাদুজ্জামান (বুলবুল) প্রমুখ।

মানবতার কল্যাণে বার্তাটি শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *