গণতন্ত্রের নির্বাচন বা সশস্ত্র লড়াই নয়! আমীরের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলন’ই ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের পদ্ধতি।আমীর, ইসলামী সমাজ।

গণতন্ত্রের নির্বাচন বা সশস্ত্র লড়াই নয়! আমীরের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলন’ই ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের পদ্ধতি।আমীর, ইসলামী সমাজ।

গণতন্ত্রের নির্বাচন বা সশস্ত্র লড়াই নয়! আমীরের নেতৃত্বে ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলন’ই ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের পদ্ধতি।আমীর, ইসলামী সমাজ।ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বর্তমান বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রে সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ প্রদত্ত কল্যাণকর ও পরিপূর্ণ নিখুত জীবন ব্যবস্থা ইসলামের আইন- বিধানের পরিবর্তে মানুষেরই মনগড়া আইন-বিধান প্রতিষ্ঠিত থাকায় মানুষের দুনিয়ার জীবনে চরম অশান্তি বিরাজ করছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় মানুষের আইনের অধীনে জীবন- যাপন করার কারণে তাদের আখিরাতের জীবনও ধংস হচ্ছে। তিনি বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ভিত্তিত তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠিত হলেই অশান্তি দূর হয়ে মানুষের দুনিয়ার জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং যারা আল্লাহরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত শান্তিপূর্ণ পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে তারা আখিরাতের জীবনে জাহানাম থেকে রক্ষা পেয়ে চিরসূখের স্থান জান্নাত লাভ করবে।
ইসলামী সমাজের উদ্দ্যােগে- আকিক হাবিবুজ্জামানের সভাপতিত্বে আজ ১৯ জুলাই ২০১৯ ঈসায়ী, রােজ শুক্রবার বিকাল ৪টায় বাংলাদেশ ফটাে জার্নালিষ্ট এসােসিয়েশন মিলনায়তনে “সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের পথ ও পদ্ধতি” বিষয়ে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ আলােচনা সভায় ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন কিংবা সশস্ত্র লড়াই- কােনটাই ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের পদ্ধতি নয়। কারণ গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন করত হলে মানুষের সার্বভৌমত্ব মেনে মানুষেরই রচিত আইনের আনুগত্য স্বীকার করে করতে হয় যা সুস্পষ্ট শিরক- ক্ষমার অযােগ্য মহা অপরাধ। অপর দিকে সশস্ত্র লড়াই ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের আগে নয় বরং লাভ হলেই বিভিন্ন প্রেক্ষাপটের গুরুত্বপূর্ন ফরজ আমল। তাই তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে এসব কর্মকান্ডকে ইসলাম বিরােধী অপতৎপরতা উল্লেখ করে বলেন, ঈমান ও ইসলামের দাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বে দাওয়াত কবুলকারী ঈমানদারগণের সমাজ (ইসলামী সমাজ) গঠন আন্দোলনই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার একমাত্র পদ্ধতি।
ইসলামী সমাজের সদস্য জনাব মুহাম্মাদ ইউসুফ আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলােচনা সভায় ইসলামী সমাজের আমীর বলেন, আল্লাহর নির্দেশ তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে- তিনি নিজেই ঘােষণা করেছিলেন সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহর এবং সাক্ষ্য ও অঙ্গীকার করেছিলেন- দাসত্ব, আইনের অানুগত্য ও উপাসনা একমাত্র আল্লাহর, অন্য কারাে নয়। অতঃপর লােকদেরকে “আল্লাহকেই একমাত্র সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মেনে ঈমান আনার এবং কেবল মাত্র তাঁরই দাসত্ব, আইনের আনুগত্য ও উপাসনার অঙ্গীকারের দাওয়াতের” মাধ্যমে দাওয়াত কবুলকারীদের নিয়ে তাঁর নিজের নেতৃত্বের আনুগত্যের অধীনে ঈমানদারগণের সমাজ গঠন আন্দোলন গড়ে তুলেন। ছবর ও ক্ষমার নীতিতে অটল থেকে জাহিলিয়্যাতের ধারক-বাহকদের বিরােধীতার সকল ক্ষেত্রে মােকাবেলার দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়ে ক্রমাগতভাবে দাওয়াতী কাজের মাধ্যমে ঈমানের সর্বোচ্চ পরীক্ষা দিয়ে যখন আল্লাহর উপর পূর্ণ নির্ভরশীল একদল ঈমানদার সৎকর্মশীল লােক গঠন হলাে, তখনি আল্লাহ রাবুল আলামীন মদীনায় অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে রাসূল (সাঃ) ও তাঁরই নেতৃত্বের আনুগত্যে ঐক্যবদ্ধ ঈমানদারগণকে রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা দান করলেন। এটাই ঈমানদারগণের রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভের একমাত্র পদ্ধতি। এভাবেই রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতা লাভ করে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) পর্যায়ক্রমে মানুষের জীবনে ইসলামের আইন-বিধান চালু করে তাদের সকল অধিকার নিশ্চিত করলেন। এটাই সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত একমাত্র পদ্ধতি। কাজেই “ইসলামী সমাজ” দুর্নীতি ও সন্ত্রাসসহ মানবতা এবং ইসলাম বিরােধী সকল অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহন করে একমাত্র আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতেই আল্লাহরই সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যে ঈমানদার সৎকর্মশীল লােক গঠনের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। “ইসলামী সমাজ” পরিচালিত ইসলাম প্রতিষ্ঠার শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টায় দল-মত নির্বিশেষে সকলকে তিনি শামিল হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান।
আলােচনা সভায় আরাে বক্তব্য রাখেন সর্ব জনাব আবু জাফর মুহাম্মাদ ইকবাল, মুহাম্মাদ ইয়াছিন, মুহাম্মাদ আমীর হােসাইন, মােঃ সেলিম মােল্লা, গুলজার আহমাদ, সৈয়দ মুহাম্মাদ কবীর, মােঃ সােহেল প্রমূখ।

মানবতার কল্যাণে বার্তাটি শেয়ার করুন-

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *